নাইক্ষ্যংছড়ির জলপাইতলী সীমান্ত এলাকা " মিয়ানমারের অভ্যন্তরের প্রচণ্ড গোলাগুলির আওয়াজে প্রকম্পিত

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের ৩২ নম্বর পিলার সংলগ্ন জলপাইতলী পয়েন্টের ওপারে আরসা ও আরএসওকে লক্ষ্য করে ব্রাশ ফায়ার করেছে মিয়ানমার বিদ্রোহী আরকান আর্মি।
সোমবার (৪ মে) সন্ধ্যা ৭ টার দিকে অন্তত কয়েকশত রাউন্ড ভারী অস্ত্রের এ গোলার আওয়াজে পুরো দক্ষিণ ঘুমধুম এলাকা কেঁপে উঠে। অনেকে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে গেলেও পরিস্থিতি শান্ত হওয়ায় পুনরায় ফিরে আসে স্ব স্ব বাড়িতে।
জলপাইতলী সীমান্তের অধিবাসী আবদুর রহমান ও ব্যবসায়ী ছৈয়দ আলস বলেন, দীর্ঘদিন পর হঠাৎ গোলাগুলির শব্দ আসে মিয়ানমার অংশ থেকে সোমবার সন্ধ্যা পৌঁনে ৭ টা থেকে।
আধ ঘন্টা ব্যাপী বড়বড় শব্দের গোলার আওয়াজ যেন তাদের বাড়ির পাশেই হচ্ছে।
তারা আরো বলেন গত বছর দেড়েক আগে এ রকম গোলাগুলিতে একটি মর্টার শেল পড়ে তাদের গ্রামে। এতে ২ জন মারা যান। এক বাংলাদেশী আর অপর জন রোহিঙ্গা শ্রমিক। এছাড়া অনেকে আহত হন।
এদিকে বিশ্বস্থ একাধিক সুত্র জানান,
মিয়ানমারের অভ্যন্তরে আরাকান আর্মির দখলকৃত ডেকুবুনিয়া ব্যাটালিয়ন সদরের আওতাধীন ফকিরপাড়া পোস্টের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় ১৩০-১৫০ রাউন্ড ক্ষুদ্রাস্ত্র ও ব্রাশ ফায়ারের শব্দ শুনেছেন দক্ষিণ ঘুমধুম এলাকাল কযেক হাজার মানুষ।
সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টা থেকে ৭ টা পর্যন্ত টানা গোলাগুলির এ শব্দ শুনেন তারা। যেটি নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলাধীন ঘুমধুম সীমান্তের কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি) এর অধীনস্থ ঘুমধুম বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত পিলার- ৩২ হতে আনুমানিক ৬০০ মিটার পূর্ব দিকে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে। যা ওপারের আরাকান আর্মির দখলকৃত ডেকুবুনিয়া ব্যাটালিয়ন সদরের আওতাধীন ফকিরপাড়া পোস্টের দায়িত্বপূর্ণ এলাকা। আর এপার ছিল ঘুমধুমের জলপাইতলী। এখানে ১৪০ থেকে ১৫০ রাউন্ড ক্ষুদ্রাস্ত্র ও ব্রাশ ফায়ারের শব্দ শুনেন তারা। উক্ত ফায়ারের ফলে হতাহত সম্পর্কে বিস্তারিত জানাতে পারেন নি তারা।
তাদের ধারণা সীমান্তে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে রোহিঙ্গা সশস্ত্র গ্রুপ আরসা বা আরএসও সদস্যদের চলাচল পরিলক্ষিত হওয়ায় আরাকান আর্মির সদস্য কর্তৃক উক্ত ফায়ার করেছে বলে জানতে পারেন তারা।









